কলিকাতা হারবাল-এ আপনাক স্বাগতম

July 29, 2019

সঙ্গীর পাশে শোওয়ার স্বাস্থ্যকর উপকারিতা?জানলে আপনি অবাক হবেন।

যে দম্পতি স্বামী স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকা প্রত্যেক রাতে পাশাপাশি শুয়ে ঘুমোন তাঁদের বেশিদিন ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হয়ে বেঁচে থাকেন। না এ কোনও হেয়ালি কথা নয়। এর পিছনে অনেকগুলি বৈজ্ঞানিক ও মানসিক কারণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সঙ্গীর পাশে শোয়া বা জড়িয়ে ধরে শোয়া সবসময় স্বাস্থ্যকর। যখন দুটি মানুষের শরীর একে অপরের শরীরকে স্পর্শ করে তখন মস্তিষ্ক শরীরকে সিগন্যাল দেয় চিন্তামুক্ত হওয়ায়, ফলে আপনি অনেক বেশি চিন্তামুক্ত নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমতে পারেন। ঘুম ভাল হওয়া মানেই শরীরে অর্ধেক সমস্যার অবসান। এতো গেল একটা উপকারিতা। এর বাইরেও আরও অনেক ইতিবাচক কারণ রয়েছে যার জন্য আপনারও উচিত আপনার সঙ্গীর সঙ্গে প্রত্যেক রাতে একসঙ্গে শোয়া। সেই কারণগুলি কী জেনে নিন ।
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

চিন্তামুক্ত হতে সাহায্য করেঃ আপনি যখন আপনার ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে একই খাটে শুচ্ছেন, তখন শরীর স্পর্ষ হবে এটা খুবই স্বাভাবিক। তখন মস্তিষ্ক শরীরকে সিগন্যাল দেয় চিন্তামুক্ত হওয়ার। ফলে শরীর এইসময় অনেকবেশী রিল্যাক্স হয়। যা অত্যন্ত প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য।

ভাল ও গভীর ঘুম হয়ঃ যদি আপনার ঘুমের ক্ষেত্রে কোনওধরণের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কোনও আপনজনের সঙ্গে শোয়া উচিত। আর তা যদি আপনার ভালবাসার মানুষ হয় তাহলে তো কোনও কথাই নেই। আপনার সমস্যায় আপনার ভালবাসার মানুষ আপনার পাশেই রয়েছে এই মানসিক শান্তির জেরে দুশ্চিন্তা খানিকটা কমে, তাও যদি ঘুমের সমস্যা হয় আপনার সঙ্গীর মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া, আদর করা সব শরীর ও মস্তিষ্ককে অনেকবেশি চাপমুক্ত করে, ফলে ভাল ঘুম আসতে বাধ্য হয়। ইনসোমনিয়ার মতো অসুখও শুধু এভাবেও সারানো সম্ভব হয়।

উষ্ণতা প্রদান করেঃ আপনি যখন আপনার ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে একই খাটে শুচ্ছেন, তখন শরীর স্পর্ষ হবেই। শরীর স্পর্ষের মাধ্যমে শরীরে উষ্ণতার উদ্দীপন হয়, যা শরীরের রক্ত সঞ্চালনক্রিয়া উন্নত করে।
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

লাভ হরমোনঃ শুধু যৌন মিলনই যে শরীরে যৌন হরমনোর ক্ষরণ করে তা নয়। শরীরের উন্মুক্ত অংশে অপর লিঙ্গের ব্যক্তির ত্বকের স্পর্ষের জেরেও শরীরে ‘লাভ হরমোন’ মুক্ত হয়। যা আমাদের মনকে আন্দ দেয় । এ সম্পর্কে ডাক্তার এরিকসসন বলেন।

হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারিঃ সঙ্গীর পাশে শোওয়ার ফলে হৃদযন্ত্রও সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে কারণ, পাশেই আপনার সঙ্গী রয়েছে এই বাস্তবটা আপনাকে মানসিক নিরাপত্তা দেয় এবং উষ্ণতা জোগায়, যার ফলে হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিক ছন্দে চলতে থাকে। ফলে হৃৎযন্ত্রের উপর আলাদা করে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে যায়।

নতুন উদ্যমঃ ভাল ঘুম হওয়ার ফলে পরের দিন সকালে আপনি যখন ঘুম থেকে ওঠেন, তখন দেখবেন নয়া উদ্যম নতুন এনার্জি এসেছে শরীরে। একে তো দুশ্চিন্তামুক্ত ঘুম, তার উপর ভালবাসার আনন্দ ফলে চাপমুক্ত হওয়া। ফলে নতুন উদ্যম তো আসবেই।

আয়ু বাড়েঃ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সঙ্গীর পাশে শুলে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, এবং শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ৬৭ শতাংশ বেশি বিশ্রাম পায় ঘুমের সময়। এর ফলে বেশিদিন ধরে সুস্থ উপায়ে কাজ করতে পারে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ।

মেয়েদের খুশি রাখতে হলে বেশি করে খাওয়ান। এবং বেড়াতে নিয়ে যান।

যে ভালো রান্না করতে পাড়ে পুরুষের মন সেই জয় করে নিতে পাড়ে সহজে। গবেষকরা জানালেন অন্যরকম তথ্য। মেয়েদেরকে বেশি করে খাওয়ালেই নাকি তার মন জয় করা সম্ভব। ফিলাডেলফিয়ার ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব পেলসিলভেনিয়ার যৌথ গবেষণায় জানানো হয়েছে নারীরা খালি পেটে থাকলে রোমান্টিক মেজাজে থাকেন না। পেট ভরা থাকলে রোমান্টিক মেজাজে থাকেন অধিকাংশ নারী।
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

গবেষণাটি করার পদ্ধতিটাও মজার ছিল। স্বাভাবিক ওজনের কিছু নারী শিক্ষার্থীকে আট ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে বলা হয়। এরপর এমআরআই স্ক্যানারের ভেতরে তাদেরকে নানা ধরণের ছবি দেখতে দেয়া হয়েছে। দেখা গেছে, যারা আট ঘণ্টা না খেয়ে আছে তাদের মস্তিষ্ক জড় বস্তু (স্ট্যাপলার, বল, গাছ) এবং রোমান্টিক ছবি (হাত ধরা, রোমান্টিক ক্যান্ডেল লাইট ডিনার) দেখে একইভাবে সাড়া দিচ্ছে।

ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ভরা পেটে দেখার পরে। একই নারীদের চকলেট শেক খাওয়ানোর পরে ছবিগুলো আবার দেখানো হয়েছে। এবার রোমান্টিক ছবিগুলো দেখে মস্তিষ্ক ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, প্রেমময় নয় গবেষকদের মতে ক্ষুধার্ত নারীর মনোযোগ প্রেমিকের দিকে নয় বরং খাবারের দিকে থাকে। তাই প্রেমিকার মনোযোগ পেতে চাইলে তাকে আগে ভালো কোনো খাবার খাওয়ান। এরপর প্রেম নিবেদন করুন। নয়তো হিতে বিপরীত হতে পারে।

বয়স বাড়ালে নারীদের যৌনতায় আসক্তি কমে যায় কেন আপনি জানেন।

নারীদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌন চাহিদাও কমতে থাকে। এক্ষেত্রে সমবয়সী পুরুষদের চেয়ে পিছিয়ে থাকেন তারা। এমনকি নির্দিষ্ট একটি সময়ের পর তাদের আর সেই চাহিদাও থাকে না। যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক প্রায় সাড়ে চার হাজার নারীর ওপর সমীক্ষা চালানোর পর এসব তথ্য সামনে এনেছে।

নর্থ আমেরিকান মেনোপজ সোসাইটি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট একটি বয়স অর্থাৎ ঋতুস্রাব বন্ধের পর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক, শরীরিক ও মানসিক স্থিতির পরিবর্তন ঘটে নারীদের। এমনকি ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যৌনতায় আসক্তি কমে যায়। তবে এক্ষেত্রে পুরুষসঙ্গীর ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সমীক্ষায় অংশ নেয়া অনেকেই বলেছেন, ঋতুস্রাবের পর শারীরিক সুখ বঞ্চিত হন তারা। এটি হয় নিজের শারীরিক কারণে। এই সময় শরীরের গোপনাঙ্গে পরিবর্তন আসে। শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়।
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

এজন্য এই বয়সে এসে তারা দৈহিক মিলন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। তবে নিয়মিত চিকিৎসা নেয়ায় এই সমস্যা থেকে অনেকেই মুক্তি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

দেশটির প্রায় সাড়ে ৪ হাজার নারীর ওপর এই সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়। সমীক্ষা যখন শুরু হয়, তখন এই নারীদের প্রত্যেকেই যৌনজীবনে সক্রিয় ছিলেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চালানো এই সমীক্ষায় গবেষকরা দেখেছেন যে নারীরা ধীরে ধীরে যৌনতায় আগ্রহ হারিয়েছেন।

এমনকি বয়স বাড়ার সঙ্গে শারীরিক পরিবর্তন ঘটে নারীদের। তবে শুধুমাত্র ঋতুস্রাবের পর নয়, বয়স বাড়লেও শারীরিক ক্ষমতাও কমে। এতেও কমে যায় যৌন চাহিদা।

ভুল করেও সঙ্গীকে এই কথাটি কখনো বলবেন না

‘সময় কখনও থাকে না, সময় করে নিতে হয়।’ কথাটা বলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এক লেখক। এটি এখন প্রায়ই অনেকের মুখে শোনা যায়। বিশেষত যারা তার সঙ্গীর সঙ্গে কাটানোর মতো সময় পায় না, তারা হামেশাই এমন কথা বলেন। সঙ্গীর থেকে সময় না পাওয়ায় অনেকের প্রচুর অভিযোগ থাকে। আর যারা সময় দিতে পারে না, তাদেরও সাফাই তৈরি, ‘সময় নেই’। বিশেষজ্ঞরা বলছে এমন কথা বলাটাই ভুল। কখনওই এসব বলা উচিত নয়।

প্রিয় সঙ্গীর সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটাতে কে না চায়। কিন্তু নিত্যদিনের এই ইঁদুরদৌড়ের জীবনে সত্যিই সারাদিনের ক্লান্তির পর সময় দেওয়াটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্ত লাগলেও চেষ্টা করুন সময় দিকে। কারণ যদি আপনি নিজের উপর জোর না খাটান, এটা ক্রমশ আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। আর তাছাড়া সঙ্গীও মনে করতে পারে আপনি সময় বের করতে চান না, বা তাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন। আর যদি এতটা নাও ভাবে, এটা ভাবতেই পারে আপনার টাইম ম্যানেজমেন্টে গন্ডগোল রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একবার ঠান্ডা মাথায় ভাবুন, আপনার অফিসের বস যদি আপনাকে কোনও কাজ করতে বলতেন, তাহলে আপনার উত্তর কি হল ‘সময় নেই’?
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

আপনার জীবনে আপনার পার্টনারের কোনও মূল্য নেই। একথা উলটোদিকের মানুষটি ভাবতেই পারেন। কারণ যদি বারবার সময় না থাকার অজুহাত দিয়ে যান আপনি, তাহলে সঙ্গীর মনে এমন প্রশ্ন আসাটা অস্বাভাবিক নয়। তার কিন্তু এটা মনে হবে না যে আপনি তাকে অবহেলা করছেন। বরং আপনার ‘প্রায়োরিটি’ নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাবে। দিনের পর দিন আপনার কাছ থেকে সময় না পেলে সঙ্গী ভাবতেই পারেন, তবে কি আপনার জীবনে তাঁর কোনও জায়গাই নেই? আবার এমনও মনে হতে পারে আপনি অ্যাডজাস্ট করতে চাইছেন না। একটা সম্পর্কে সবচেয়ে বড় হল অ্যাডজাস্টমেন্ট। সময় দেওয়া না দেওয়ার ব্যাপারটাও এই অ্যাডজাস্টমেন্টের আওতাতেই পড়ে। এখন এই সময়টাই যদি না দিতে পারা যায়, তাহলে অ্যাডজাস্টমেন্টের উপর তো প্রশ্নচিহ্ন উঠবেই।

যদি আপনার কাছে আজ সময় না থাকে, তবে কখনও থাকবে না। আপনি কীভাবে আপনার টাইম ম্যানেজমেন্ট সারবেন, সেটা একান্তভাবে আপনার উপরেই নির্ভর করে। এর একটা সহজ উপায় আছে। আপনার প্রাধান্যগুলি স্থির করুন। পেশাগত না ব্যক্তিগত জীবন আগে, সেই সিদ্ধান্ত নিন। তাহলেই কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে। নিজেই প্রশ্ন করুন, বিল গেটস, অমিতাভ বচ্চন বা বারাক ওবামা কি কখনও ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে পরিবারকে সময় দেন না?
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে আমার পেইজে লাইক দিন। এবং সেয়ার করুন।
জীবনকে সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জিবনের জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।পেইজে লাইক দিয়ে, শেয়ার করুন।.

আপনি কি দাম্পত্য জীবন নিয়ে চিন্তিত? অথবা বিবাহিত জীবন নিয়ে অশান্তিতে ভোগছেন? আর দূর্চিন্তা নয় আপনার সব ব্যর্থতা দুর করতে আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রয়েছে আপনার সাথে,যে কোন প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন। এবং ফোন করুন। যেকোনো সমস্যাগুলো খুলে বলবেন।
http://www.kolikataherbalcare.com/
কলিকাতা হারবাল দীর্ঘ 17 বছর বৎসর যাবত থেকে, বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কাতার, ওমান, মালদ্বীপ মালয়েশিয়া মধ্যপ্রাচ্যসহ কুয়েতসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে সুনামের সহিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক হারবাল ঔষধ হচ্ছে সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক গাছ গাছড়ার শিকড় বাকড় পাতা লতা ফলমূলের উপাদান থেকে তৈরি। যে কোন জটিল ও কঠিন রোগের জন্য আমাদের আছে অভিজ্ঞ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক হারবাল চিকিৎসক,যৌন রোগে বিশ্বযোগ্য ও অভিজ্ঞ স্পেশালিষ্ট, আয়ুর্বেদিক হারবাল ইউনানি ভেষজ ফিজিসিয়ান ও স্বাস্থ্যরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্যানেল।শতভাগ সফলতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। যেকোন সমস্যার জন্য সকল রোগ বিষয়ে।
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিদেশী মেশিনারাইজড পদ্ধতিতে দেশি ও বিদেশী গাছ গাছড়ার সংমিশ্রণে তৈরী। কলিকাতা হারবাল এর ওষুধ। বিঃদ্রঃ কলিকাতা হারবাল মেডিসিন ওষুধ আমাদের পণ্য অন্য কোন কোম্পানিতে পাওয়া যায় না (নকল হতে সাবধান)http://www.kolikataherbalcare.com/

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ,আর মানুষের প্রকৃত বন্ধু গাছ,এই নিয়েই আমাদের সূচনা, গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না জীবনরক্ষাকারী গাছ।বেশি করে ঔষুধী বৃক্ষরোপণ করুন সুস্থ জীবন নিশ্চিত করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।আমাদের বাংলাদেশ-ভারত কোরিয়া জাপানের তৈরি করা আয়ুর্বেদিক হারবাল মেডিসিন আয়ুর্বেদিক গাছ গাছরা, যা দ্বারা তৈরি হয় আয়ুর্বেদিক হারবাল ঔষধ, সেবন করুন সুস্থ জীবন নিশ্চিত করুন আসুন আমরা সবাই আয়ুর্বেদিক হারবাল ইউনানী এবং ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে স্থায়ী ভাবে সুস্থ থাকি, ইনশাল্লাহ।
সরাসরি যোগাযোগ-এর ঠিকানা
মোহাম্মদপুর বি.আর.টি.সি বাসস্ট্যান্ড আল্লাহ্ করিম মসজিদ মার্কেট ২য় তলা মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭
হট লাইন-01763663333
ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান
ইমু নাম্বার 01971198888