কলিকাতা হারবাল-এ আপনাক স্বাগতম

July 29, 2019

জেনে নিন,শরিল সুস্থতায় ফলের জুস পানের উপকারিতা শরিল স্বাস্থ্যের জন্য ফলের জুস অত্যন্ত কার্যকর।

ডাক্তার মোঃ মাহবুবুর রহমান।

একটা সময় ছিল যখন অনেক ছোট-বড় রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগানো হত জুসকে। বিশ্বাস না হলেও একথা উড়িয়ে দেওয়ার নয় যে একাধিক রোগ সারাতে আজও জুস দারুন কাজে দেয়। জুস বানানোটা কী এমন কঠিন কাজ। কয়েকটি ফল বা সবজি সংগ্রহ করুন। তারপর সেগুলি মিক্সার গ্রায়ান্ডারে ফেলে জুস বানিয়ে ফেলুন। এবার শুধু খাওয়ার পালা। তাহলেই দেখবেন কেমন কমতে শুরু করে নানা রোগের লক্ষণ। এবার এই প্রবন্ধে আলোচনা করা হল কোনরোগে কোন জুস কাজে লাগে। তবে যে কোনও অসুস্থতাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়াটা কিন্তু জরুরি।

সাইনাসঃ একটা ব্লেন্ডারে হাফ কাপ সেলারি শাক রাখুন। এবার তাতে ২ টো গাজর, একটা মোসাম্বি লেবু, একটা কমলা লেবু, অর্ধেক পেঁয়াজ, দুই চা চামচ মাপের লেবুর রস এবং দুকাপ জল ভালো করে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। জুস তৈরি হয়ে গেলে সেটি সঙ্গে সঙ্গে পান করুন। দেখবেন কেমন কমতে শুরু করে সাইনাসের অসুস্থতা।

মাথা যন্ত্রণাঃ এক গ্লাস পানিতে একটা অ্যাভোকাডো, একটা গাজর এবং বীজ ছাড়া কয়েকটি চেরি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। ইচ্ছা হলে এতে পরিমাণ মতো ধনে পাতাও মেলাতে পারেন। এবার সেই জুস পান করলেই দেখবেন মাথা যন্ত্রণা কেমন ঝট করে কমে গেছে।

কোষ্ঠকাঠিন্যঃ এই ধরনের রোগের প্রকোপ কমাতে এই জুসটি দারুন কাজে আসে। কী কী লাগবে এটি বানাতে? একটি বিটরুট নিন, তাতে একটা কলা, একটা আপেল, দু চামচ লেবুর রস এবং এক গ্লাস জল মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে জুস বানিয়ে নিন। এবার এই পানীয় রোজ সকালে পান করুন। তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করে।

হ্য়াংওভারঃ আগের দিন একটু বেশি হওয়াতে সকালে প্রবল অস্বস্তি হচ্ছে? চিন্তা নেই উপায় আছে। একটা মৌসম্বি লেবুর সঙ্গে অল্প আদা এবং এক গ্লাস তরমুজের রস ভালো করে মিশিয়ে পান করুন। দেখবেন নিমেশে অস্বস্তি কমে যাবে।

হজমশক্তি বাড়াতেঃ হাফ কাপ পালং শাকের সঙ্গে একটা কলা, একটা আপেল এবং একটা অ্যাভোকাডো মিশিয়ে জলের সঙ্গে একটু ব্লেন্ড করুন। তারপর সেই জুস পান করুন প্রতিদিন।

ঠান্ডা লাগা কমায়ঃ এই ধরনের সমস্য়া কমাতে একটা গ্রিন আপেল মিক্সারে ফেলে তার সঙ্গে একটু আদা, সামান্য় হলুদ গুঁড়ো, অল্প সেলারি শাক এবং দু চামচ নারকেলের জল মেশান। এই মিশ্রনে এক কাপ জল মেশাতে ভুলবেন না। এবার সেই জুস দিনে তিনবার করে পান করুন। দেখবেন ঠান্ডা কেমন দূরে পালাচ্ছে।
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

চোখের নানা অসুবিধায়ঃ এক গ্লাস পানির সঙ্গে অল্প পার্সলে পাতা, একটা টমাটো এবং একটা এপ্রিকট ফল মিশিয়ে ভালো করে ব্লেড করতে হবে। এবার সেই জুস পান করলেই দেখবেন চোখের নানা ধরনের অসুবিধা কমতে শুরু করেছে।

শরীর থেকে নোংড়া বের করতেঃ একটা আপেল, এক কাপ কোপির পাতা, অল্প মরিচ এবং তিন চামত লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে জুস বানান। তারপর সেটি রোজ সকালে পান করুন। তাহলেই দেখবেন শরীর কেমন ভেতর থেকে সুস্থ হয়ে উঠছে। এই জুসটা যদি পছন্দ না হয় তাহলে আরেক ধরনের পানীয় বানাতে পারেন। তার জন্য় একটা আপেলের সঙ্গে কয়েকটি মিন্ট পাতা এবং একটি শসা মিলিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। তারপর সেই জুস পান করলেও দেখবেন শরীর থেকে সব নোংড়া কেমন বেরিয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যের জন্য ফলের জুসের উপকারিতা

স্বাস্থ্যের জন্য ফলের জুস খুব উপকারী। অনেকেই সকালের নাস্তায় ফলের জুস পান করে থাকেন। বাইরের প্যাকেটজাত ফলের জুসের পরিবর্তে ঘরে তৈরি করা ফলের জুস বেশি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। তবে ভাল ফল পেতে এতে চিনি মেশানো থেকে বিরত থাকুন।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

জেনে নিন কিছু ফলের জুস সম্পর্কে যা প্রতিদিন পান করা উচিত

◘ গাজর, আদা এবং আপেল

অনেকে শুধু গাজর অথবা আপেলের রস পান করে থাকেন। এর পরিবর্তে গাজর, আদা এবং আপেল একসাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি সপ্তাহে একবার পান করুন।

◘ গাজর, পালং শাক এবং আপেল

দুটি গাজর, দুই কাপ পালং শাক, একটি আপেল, একটি শসা এবং এক ইঞ্চি আদা কুচি দিয়ে ফলের রস তৈরি করে নিন। গাজর ভিটামিন এ, সি, ডি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। এছাড়া এতে রয়েছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

◘ করলা, কলা এবং দুধ

করলা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু এর তেতো স্বাদের জন্য অনেকেই করলা খেতে পারেন না। তারা করলা, কলা এবং দুধ এক সাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস করে নিতে পারেন। এতে করলার তেতো ভাব অনেকটা কেটে যাবে। এটি অতিরিক্ত গরম কাটাতে সাহায্য করবে।

◘ জাম্বুরার রস

অর্ধেকটা জাম্বুরার রস, আধা কাপ ব্লুবেরিস এবং আধা কাপ ঠান্ডা গ্রিন টি একসাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস তৈরি করে নিন। এটি কাজে শক্তি প্রদান করে।

◘ আনারস, আপেল এবং তরমুজ

তরমুজ, আনারস এবং আপেল একসাথে ব্লেন্ডারে রস তৈরি করে নিন। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে সাহায্য করে।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

◘ শসা এবং আপেল

একটি বা দুটি শসা এবং একটি ছোট আকৃতির আপেল এক সাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শসাতে ৯০% পানি থাকে। এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীর হাইড্রেইড এবং ঠান্ডা করে। এছাড়া শসাতে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং স্যালিকা আছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

ফলের রসের উপকারিতা

আমরা অনেকেই শুধু ফল না খেয়ে ফলের রসটাই পান করতে বেশি পছন্দ করি, তবে জেনে রাখা ভালো যে ফলের রস বা জুস আমাদের শরীরের জন্য কতটা জরুরি ও উপকারি। কিছু পরিচিত ফলের রসের গুণাবলি নিয়ে এই ফিচার-

পেয়ারা জুস

:: রক্তে কোলেস্টেরল কমায়, রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে।

:: ওজন কমাতে সহায়তা করে।

:: আছে ভিটামিন-সি, যা সর্দি-কাশি রোধ করে।

:: পেয়ারা জুসে রয়েছে অ্যাস্ট্রিজেন্ট, যা ডায়রিয়ার সময় পান করলে শরীরের জন্য উপকারী।

https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

আমের জুস

:: শরীরে রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত শোধন করে।

:: ব্যাকটেরিয়া থেকে নির্গত শরীরের দুর্গন্ধ কমায়।

:: কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

অ্যাভোক্যাডো জুস

:: রেড ব্লুাড সেল তৈরি করতে সহায়তা করে।

:: অ্যানেমিয়া বা রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে।

:: অ্যাভোক্যাডোতে রয়েছে ফলিক এসিড, যা গর্ভবতীদের মস্তিষ্ক ও মেরুদন্ডের জন্য উপকারী।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

:: শরীরের জন্য ক্ষতিকারক চর্বি (এলডিএল কোলেস্টেরল) কমায় এবং উপকারী চর্বি (এইচডিএল কোলেস্টেরল) বাড়ায়।

বেদানার জুস

:: এই পানীয়তে আছে ভিটামিন-এ, সি, ই এবং ফলিক এসিড, যা গর্ভবর্তীদের জন্য দারুণ উপকারী।

:: এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা অধিক কোলেস্টেরলের ফলে রক্তকণিকায় যে ব্লুক হয় তা কমাতে সাহায্য করে।

:: প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

টমেটো জুস

:: টমেটোতে আছে লিওপিন, যা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

:: যারা ওজন কমানোর জন্য ডায়েট কন্ট্রোল করতে চান তাদের জন্য আদর্শ খাদ্য এটি। যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের ক্ষুধা বাড়ানোতে সাহায্য করে এই পানীয়।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

:: অসুস্থতা থেকে সুস্থ হলে পুরনো শক্তি ফিরে পেতে সহায়ক।

:: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আপেল জুস

:: কোলেস্টেরল লেভেল, উচ্চ রক্তচাপ এবং সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে।

:: ক্ষুধা কমায় অর্থাৎ ওজন কমাতে সাহায্য করে।

:: মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে!

স্ট্রবেরি জুস

:: হজমে সাহায্য করে।

:: কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।

:: গিটে ব্যথা থাকলে তা উপশম করে।

ফল ভালো, না কি জুস?https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

মানুষের খাদ্য তালিকায় ফল একটি অন্যতম উপাদান। ফলে রয়েছে সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেল; যা দেহকে স্বাস্থ্যকর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখে। ফলকে অনেক সময় জুস করে খাই বা বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস পাওয়া যায়। ফল এবং ফলের জুস উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে কোনটি ভালো, ফল নাকি ফলের জুস, এ বিতর্ক নিষ্পত্তিমূলক। বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ বলছেন, ফলের জুসের থেকে ফল খাওয়া ভালো। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ড স্কাই জানিয়েছে এ বিষয়ে কিছু তথ্য।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

জুসে আঁশ নেই

ফল ও জুসের সবচেয়ে নেতিবাচক দিক হলো জুস করার পর এতে আর আঁশ থাকে না। বেশির ভাগ ফলে প্রাকৃতিকভাবে আঁশ থাকে; যা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই ফলের জুসের বিকল্পে ফল খাওয়া ভালো।

এ ছাড়া ফলের ভেতরে যে নরম শাঁশ বা ফলের পাল্প থাকে সেটি জুস করলে পাওয়া যায় না। যেমন : কমলা। কমলা ফলের কোয়াতে সাদা একধরনের পাল্প থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লেবোনয়েড; এটি রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান। যদি কমলাকে জুস করে খাওয়া হয় তখন এই উপাদান থাকে না।

ফলের জুসে প্রিজারভেটিভ থাকে

প্যাকেট জুসে বেশির ভাগ সময় প্রিজারভেটিভ দেওয়া থাকে। দীর্ঘদিন এই জিনিস যদি কেউ খায়, তবে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই ভেবে দেখুন কোনটি খাবেন।

ফলের জুসে কৃত্রিম সুগন্ধি এবং চিনি দেওয়া হয়

অনেকেই ফলের জুস তৈরিতে বাড়তি চিনি ব্যবহার করেন। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর; এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share

এ ছাড়া প্যাকেটজাত ফলের জুসে কৃত্রিম সুগন্ধি এবং চিনি ব্যবহার করা হয়, উভয়ই স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ কৃত্রিম সুগন্ধি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাই প্যাকেটজাত ফলের জুসগুলো দেহের জন্যও ক্ষতিকর।

তবে আপনি বলতে পারেন ফল খাওয়ার থেকে রস খাওয়া অনেক সহজ । তাই আপনিই ঠিক করুন কোনটি খাবেন?
https://www.youtube.com/watch?v=O3HjRAkjGSo&feature=share
বিস্তারিত আরও কিছু জানার জন্য ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করুণ।
কলিকাতা হারবাল 
হাকিম ডা: মো: মাহাবুবুর রহমান! 
(রেজিষ্টার্ড হারবাল স্পেশালিস্ট
যৌন. চর্ম .সাস্থ্যহীনতা.মেদভুড়ি. হাঁপানি,বাত বেথা. হেপাটাইটিস (বি -ভাইরাস). অশ্ব গেজ. ও মহিলা রোগে ( 17 বৎসরের অভিঙ্গতা)
সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানা: মোহাম্মদপুর বি.আর.টি.সি বাসস্ট্যান্ড আল্লাহ্ করিম মসজিদ মার্কেট ২য় তলা মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭
হট লাইন-01763663333
ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান
ইমু নাম্বার 01971198888