কলিকাতা হারবাল-এ আপনাক স্বাগতম

July 30, 2019

কেন খাবেন মিষ্টি আলু? মিষ্টি আলু নাকি গোল আলু?

গোল আলুর সকল স্বাস্থ্য উপকারিতাই মিষ্টি আলুতে রয়েছে এবং এছাড়াও মিষ্টি আলু আরো কিছু উপকার করে। লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান ফ্রান্সিসকোর স্পোর্টস ডায়েটিশিয়ান ইয়াসি আনসারি বলেন, ‘সাধারণত আপনার খাদ্য তালিকায় যত বেশি রঙিন ফল ও শাকসবজি যোগ করা যায় তত ভালো।’
মিষ্টি আলু বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে এবং তা পুষ্টিতে ভরপুর। এটি আপনার হার্ট ও ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
মিষ্টি আলুর পুষ্টি উপকারিতা কী?
সকল আলু পুষ্টিতে সমৃদ্ধ এবং আপনার জন্য স্বাস্থ্যকর, বলেন নিউ ইয়র্কে অবস্থিত বিজেড নিউট্রিশনের স্বত্ত্বাধিকারী ও ডায়েটিশিয়ান ব্রিজিটি জিটলিন। কিন্তু মিষ্টি আলুতে (কমলা, হলুদ ও পার্পল রঙের মিষ্টি আলু) গোল আলুর তুলনায় কম ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে। মিষ্টি আলুতে উচ্চ মাত্রায় ‘ভিটামিন এ’ থাকে। ‘ভিটামিন এ’ হচ্ছে একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে এবং সুস্থ ত্বক ও দৃষ্টি বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটি মিষ্টি আলু আপনাকে দৈনিক সুপারিশকৃত ১০০ শতাংশের বেশি ভিটামিন এ সরবরাহ করে, ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার অনুসারে।
মিষ্টি আলুতে প্রচুর ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া একটি মিষ্টি আলুতে প্রায় চার গ্রাম উদ্ভিজ্জ ফাইবার রয়েছে, যা আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়, যেমন- টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল।
মিষ্টি আলুতে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট থাকে?
স্টার্চি রুট ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি আলুতে নন-স্টার্চি ভেজিটেবলের (যেমন- ব্রকলি) চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে। অর্ধ বাটি মিষ্টি আলুতে প্রায় ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যেখানে সমপরিমাণ ব্রকলিতে থাকে প্রায় ৩ গ্রাম। কিন্তু এটি হতে পারে মিষ্টি আলু খাওয়ার অন্যতম কারণ, ভয় পাওয়ার নয়। আনসারি বলেন, ‘নন-স্টার্চি সবজির তুলনায় মিষ্টি আলু বেশি শক্তির যোগান দেয়, যে কারণে এটি দৈনন্দিন কার্যক্রম ও অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্সের জন্য একটি ব্যতিক্রমী জ্বালানি উৎস।’ সারকথা হচ্ছে, সকল শাকসবজিই আপনার ডায়েটে যুক্ত করার মতো স্বাস্থ্যকর অপশন এবং তারা বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সরবরাহ করে থাকে, বলেন জিটলিন।
মিষ্টি আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় কি?
কেনার সময় গাঢ় রঙের মিষ্টি আলু কিনুন। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে, মিষ্টি আলুর রঙ (এটি কমলা, হলুদ অথবা পার্পল যে রঙেরই হোক না কেন) যত বেশি গাঢ় হবে, পুষ্টিগুণ তত বেশি হবে। খোসা ছাড়িয়ে মিষ্টি আলু খাবেন না। সব ধরনের আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হচ্ছে খোসাসহ খাওয়া, কারণ এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, বলেন জিটলিন। খোসায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও থাকে।
মিষ্টি আলু রান্নার সর্বোত্তম উপায়?
আপনি স্টিমিং, রোস্টিং, বেকিং অথবা বয়েলিং যেভাবেই মিষ্টি আলু খান না কেন, পুষ্টি পাবেন। তাই মিষ্টি আলু প্রস্তুতের সকল পদ্ধতিই পুষ্টিকর। আপনি সয়ামিল্ক, প্রোটিন পাউডার ও দারুচিনিসহ স্মুদিতে মিষ্টি আলু মেশাতে পারেন অথবা মিষ্টি আলু ব্লেন্ড করে স্যূপে যোগ করতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টি আলুর ভর্তা চমৎকার: এতে মধু যোগ করুন এবং আখরোট ছিটান। মিষ্টি আলুকে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না, কারণ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। ফ্যাটের কথা ভুলে যাবেন না। ভিটামিন এ এর মতো ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন ফ্যাট সোর্সের সঙ্গে ভালোভাবে শোষিত হয়, তাই মিষ্টি আলুর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ফ্যাট খান। মিষ্টি আলুর সঙ্গে ফ্যাট সমন্বয়ের একটি স্বাস্থ্যসম্মত অপশন হচ্ছে অলিভ অয়েল- বেকিংয়ের পূর্বে মিষ্টি আলুর ওপর অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ছিটাতে পারেন। অন্য একটি উপায় হচ্ছে অ্যাভোক্যাডো, পিক্যান অথবা আখরোটের পাশাপাশি মিষ্টি আলু খাওয়া।

গোল আলুর অজানা পুষ্টিগুণ !!

বাঙালির রান্না প্রতিটি তরকারিতে বাড়তি স্বাদ যোগ করতে গোল আলুর তুলনা নেই। খুব কম মানুষই আছেন যারা গোল আলু খেতে পছন্দ করেন না। দামে সস্তা ও সহ'জলভ্য হওয়ার কারণে সব শ্রেণির মানুষের কাছেই এটি একটি পছন্দের সবজি। আলুর পুষ্টিগুণও অনেক। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে শর্করা ১৯ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ২.২ গ্রাম, উদ্ভিদ প্রোটিন ২ গ্রাম, পটাশিয়াম লবণ ০.৪২ গ্রাম এবং ভিটামিন ০.০২ গ্রাম। আলুতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন ‘A’, ‘B’ ও ‘C’ আছে। এছাড়াও আলুর খোসাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘A’, পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সাইড, ফাইবারসহ কার্বোহাইড্রেট আছে। এছাড়াও গোল আলুতে পাবেন আরও অনেক পুষ্টিগুণ।
* আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। একটি মধ্যম আকৃতির আলুর ত্বকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ আছে। এছাড়া আলুতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, ফলেট ও আয়রন রয়েছে।
* আলুতে থাকে লৌহ ও ক্যালসিয়ামের মত খনিজ উপাদান হৃদরোগের অন্যতম প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
* আলুতে এক ধরনের প্রোটিনেস ইনহিবিটর থাকে, যা ক্যান্সারের বি'রুদ্ধে কাজ করে।
* প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে আলু খাওয়া খুবই উপকারী। আলুতে র'ক্তচাপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে মনে রাখতে হবে অ'তিরিক্ত আলু খেলে র'ক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীর মুটিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে যারা নিজেদের ওজন বাড়াতে আগ্রহী তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে আলু খেতে পারেন।
* যথেষ্ট ক্যালরি থাকার কারনে ডায়রিয়া জনিত কারনে শরীরের ঘাটতি পূরনের জন্যও আলু একটি উত্তম পথ্য।
* আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ রয়েছে যা মন ভালো রাখার জন্য কার্যকরী। মন ভালো করার দুটি উপাদান সেরেটোনিন ও ডোপামিন নামক নিওট্রান্সমিটার গঠনে আলু সহায়তা করে। নিওট্রান্সমিটার মস্তিষ্কে অনুভূতি আদান প্রদান করে থাকে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করতে সহায়তা করে।
* আলু মস্তিষ্ক সচল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সরবরাহ করে। আলুতে থাকা গ্লুকোজ, অক্সিজেন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, এমিনো এসিড, ওমেগা-৩ ও অন্যান্য ফ্যাটি এসিড মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।
* আলুতে থাকা ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস ত্বকের জন্য জরুরি। আলুর রস ত্বকে লাগালে বিভিন্ন দাগ, র্যাশ ও অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া রোদে পোড়া ভাবও দূর করতে সহায়তা করে আলুর রস।
কোনটি খাবেন?

মিষ্টি আলু নাকি গোল আলু?

মিষ্টি আলু ও গোল আলু প্রায় সব সময় আমাদের খাওয়া হয়। আলুকে ভাতের বিকল্প হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ ভাতের বিকল্প হিসেবেও কেউ আলু খেতে পারে। এ দুই ধরনের আলুতেই রয়েছে বিভিন্ন গুণ। আলুর বিভিন্ন গুণ নিয়ে বলেছেন পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলো।
মিষ্টি আলু
১. মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।
২. প্রচুর আঁশ আছে।
৩. মিষ্টি আলুতে চিনি থাকলেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য তা বিশেষ উপকারী।
৪. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
গোল আলু
১. গোল আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে।
২. পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি।
৩. গোল আলু খুব দ্রুত হজম হয় যেকোনো বয়সের মানুষের।
৪. ভাতের বিকল্প হিসেবে গোল আলু খাওয়া যায়।
অপকারিতা
এ দুই ধরনের আলুতেই কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি, যাঁদের ওজন বেশি তাঁদের এড়িয়ে চলা উচিত।
মিষ্টি আলু বেশি খাবেন যে কারণে
মিষ্টি আলু রাঙ্গা আলু নামেও পরিচিত। বেগুনী, লাল, হালকা হলুদ অথবা সাদা রঙের হয় মিষ্টি আলু। মিষ্টি আলুর বৈজ্ঞানিক নাম Ipomoea Batatas। মিষ্টি আলুতে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। দ্রুত শক্তি প্রদান করতে পারে মিষ্টি আলু। মিষ্টি আলুর বেশি খাওয়া উচিৎ যে কারণে সে বিষয়ে জেনে নিই চলুন।
১। ইমিউন সিস্টেম
বিটা ক্যারোটিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ মিষ্টিআলু। এছাড়াও এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, আয়রন এবং ফসফরাসও থাকে। তাই বলা যায় যে, মিষ্টি আলু ইমিউন সিস্টেমের জন্য উপকারী এবং বিভিন্ন ধরণের রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।
২। প্রদাহ
গোল আলুর মত মিষ্টি আলুতেও প্রদাহরোধী উপাদান থাকে। যদিও এরা সাধারণ আলুর পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং ম্যাগনেসিয়ামের উপস্থিতির কারণেই সম্ভবত মিষ্টি আলুর প্রদাহরোধী ভূমিকা দেখা যায়। অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় ধরণের প্রদাহ কমাতেই অত্যন্ত কার্যকরী মিষ্টি আলু।
৩। অ্যাজমা
ফুসফুস, শ্বাসনালী এবং নাকের জমাটবদ্ধতা নিরাময়ে সাহায্য করে মিষ্টি আলু। ফলে অ্যাজমার উপশম হয়।
৪। ব্রংকাইটিস
ভিটামিন সি, আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ব্রংকাইটিস নিরাময়ে সাহায্য করে। মিষ্টি আলু শরীরকে উষ্ণ হতে সাহায্য করে। সম্ভবত এর মিষ্টত্ব এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের তাপমাত্রার উপর প্রভাব ফেলে।
৫। আরথ্রাইটিস
বিটা ক্যারোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এর উপস্থিতির কারণে মিষ্টি আলু আরথ্রাইটিস মোকাবেলায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মিষ্টি আলু সিদ্ধ করা পানি অস্থিসন্ধিতে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমে।
৬। পরিপাক
সাধারণ আলুর চেয়ে মিষ্টি আলুতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে এবং স্বাদেও ভালো। এতে ম্যাগনেসিয়াম নামক খনিজ উপাদানটিও থাকে বলে মিষ্টি আলু হজম সহায়ক একটি খাবার। এছাড়াও এতে স্টার্চ থাকে যা পাকস্থলী ও অন্ত্রকে শীতল করতে পারে।
৭। ক্যান্সার
মিষ্টি আলুর খোসার রঙের জন্য দায়ী বিটা ক্যারোটিন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান। বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার নিরাময়ে বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি অত্যন্ত কার্যকরী যা মিষ্টি আলুতে থাকে।
৮। পাকস্থলীর আলসার
পাকস্থলী ও অন্ত্রে শীতলিকারক প্রভাব ফেলতে পারে মিষ্টি আলু। ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম পাকস্থলীর আলসার নিরাময়ে সাহায্য করে। মিষ্টি আলুর আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং এসিড তৈরি হওয়ার সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। মিষ্টি আলুর প্রদাহরোধী এবং শীতলিকারক উপাদান পাকস্থলীর আলসারের ব্যথা ও প্রদাহ কমতে সাহায্য করে।
৯। ডায়াবেটিস
মিষ্টি আলু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ও উপকারী, যা সাধারণ বিশ্বাসের বিপরীত একটি বিষয়! আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, মিষ্টি আলু ইনসুলিনের নিঃসরণ ঠিকমত হতে সাহায্য করার মাধ্যমে রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এর অর্থ এই নয় যে, ডায়াবেটিকে আক্রান্তরা ইচ্ছেমত খেতে পারেন মিষ্টি আলু। ভাত অথবা অন্য শর্করা জাতীয় খাবারের পরিবর্তে মিষ্টি আলু খেতে পারেন।
১০। পানির ভারসাম্য
মিষ্টি আলুর আঁশ শরীরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে, হাইড্রেটেড রাখে এবং কোষের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
১১। ওজন বৃদ্ধি
মিষ্টি আলুতে জটিল স্টার্চ, ভিটামিন, খনিজ এবং কিছু আমিষ ও থাকে। মিষ্টি আলু খুব সহজেই হজম হয়ে যায় এবং প্রচুর শক্তি প্রদান করতে পারে। যারা ওজন বৃদ্ধি করতে চান তারা নিশ্চিন্তে মিষ্টি আলু খেতে পারেন। কারণ এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

আপনার যে কোনো সমস্যায় সরাসরি আমাদের চিকিৎসকের সাথে কথাবলুনঃ
এবং ফোন করুন (01763663333)
“এশিয়া মহাদেশের সর্ব শ্রেষ্ঠ সেবা কারি প্রতিষ্ঠান,”কলিকাতা হারবাল ঢাকা. বাংলাদেশ!!!?????
_____🌹🦋🌻আস্সালামু আলাইকুম.ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্ ! 🌿🌲🌷আমি
ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান !ডি.ইউ.এম.এস, ডি.এ.এম.এস, ঢাকা।এমডি ষটাডী ভারত!!!কোলকাতা!!!
যৌন সংক্রান্ত সমস্যা???ও প্রশ্ন????
কখনও কি ভেবেছেন দাম্পত্য জীবনে অশান্তির কারন কি???
আপনি কি কঠিন যৌন রোগে আক্রান্ত???
মিলনে সঙ্গীকে পূর্ন তৃপ্তি দিতে ব্যার্থ???
আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্চেন / অথবা বিয়ের পর স্ত্রীর কাছে লজ্জা পাচ্ছেন???
স্ত্রী সহবাসে পুরোপুরি অক্ষম বা দুর্বল ???
অতি দ্রুত বীর্যপাত হয়??? বীর্যকী পাতলা পানির মত ???
যৌন রোগে মানসিক ভাবে চিন্তিত???
গোপন অঙ্গ ছোট নিশতেজ ও তুলার মতো নরম???
চিকিৎসা ও ঔষধের প্রতি আস্থা বা বিশ্বাস হারিয়েছেন???
দেশী-বিদেশী ঔষধ খেয়ে কোন উপকার পান নাই???
যৌন রোগের সমাধান আছে কি-না তা আর. বিশ্বাস হয় না???
হালকা উত্তেজনায় গোপন অঙ্গের মাথায় বিজলের মত পানি আসে???
তাহলে আজই যোগাযোগ করুন...
উত্তর একটাই সঠিক জায়গায় পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন।স্থায়ীভাবে সুস্থ্য হয়ে সংসার,ধর্ম-কর্ম পালন করুন।
তাহলেই আজেই যোগাযোগ করুন? ???,
আপনার দাম্পত্য জীবনকে সার্থক আর মধুময় করে তুলতে আজই যোগাযোগ করুন!! আমাদের সাথে ফোন তুলুন আর ফোন করুন আমাদের এই নাম্বারে!!কথা বলুন আমাদের বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে । আজ হাজারো যুবক নবজীবন লাভ করেছেন kolikata Herbal , কলিকাতা হারবাল এর চিকিৎসা নিয়ে ।
আজি আমাদের সাথে ফোন করুন আর আমাদের সেবা নিন , ১০০% গ্যারান্টি সহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয় , কাজ না হলে মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিচছি একমাত্র আমরাই! !!???
সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং সুখী আনন্দময় যৌন দাম্পত্য জীবন উপভোগ করুন। ধন্যবাদ।সকলকে আললা হাফেজ! !!!!!!আমাদের ফোন নাম্বারঃ 
হেড অফিস কলিকাতার নাম্বারঃ +00918334071919
ঢাকা অফিসঃ ((01763663333))
বিঃদ্রঃ কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়।
সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানা: মোহাম্মদপুর বি.আর.টি.সি বাসস্ট্যান্ড আল্লাহ্ করিম মসজিদ মার্কেট ২য় তলা মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭
হট লাইন-01763663333
ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান
ইমু নাম্বার 01763663333বাংলাদেশের